Thursday, November 28, 2019

8


১.
এইসব প্রশ্ন সত্যি, আর কতবার ?
বিদায়ে বিধেয় জঞ্জাল-বিষর্জন , বাকী পড়ে এটুকুই
চলে যায় দিন; নৃত্যরত বালিকার গুনগুন,
আবার প্রশ্ন-প্রতিপ্রশ্ন ওঠে, সত্যি করে বল ..ইত্যাদি ..

২.
জঞ্জাল লিখি , অনৃত তবু তো আশ্রয়,
কিছুটা ছায়ায় নত, মানুষের আশার বোধ এখানে
তাই লিখি এই সমুদ্রতীরে ঢেউ,
বাতাসে বালির বুকে, ভাবি, লেখা যায়, সত্যই ?

৩.
কর্তব্য কী ? ছোট ছেলেটি,
পৌঁছে দিতে হবে তার ঘর, যাকে,
হাত ধরে পৌঁছে দেবে বলে, বাজারের সব মদ্যপ,
তার ঠিকানা ভারতবর্ষ, বাকীটুকু এখনও খোঁজার ।



7

এই সূর্যের আলো নেভাতে পারিনা
ব্যর্থতায় বিন্যস্ত হই, আবহবিকার-গ্রস্থ হই
সারা গায়ে জ্বালা;
তাই নিয়ে ঝুঁকে থাকি পায়ে চলা রাস্তায়,
ছায়া ছায়া ক্লান্ত হয়ে সারাদিন ,
বড় সুন্দরী ছায়ায় ঢাকি, এ বিষন্ন রোদ রোদ ভাব ৷

দিন শেষ অন্ধকার, ছোটাছুটি ঘুমোবার,
আহত ব্যাহত হতে চায় না নিদ্রাতুর, একচুল,
রাস্তা-ঘোর; গৃহমনষ্ক অগণন মানুষ ।
শেষের জন্য শুরু ;
দিনগত সময়ের দরে, আমিও ঘর খুঁজি,
যেখানে,অন্ধকার, চাঁদ-তারা-হীন ছাদ মাথার ওপর ।


Monday, November 25, 2019

Privacy policy

No information of users are collected without prior permission .

5 : মানুষের বদলে মানুষ


রাতের পাখী গান গায় ? সার্থক ?
অথবা বোবা হয়ে মনে মনে বলে
"মানুষের বদলে মানুষ ,
মানুষের বদলে মানুষ "?
চেনামুখ ডাকনাম নিয়ে বলে
"অন্ধকার অন্ধকার,
এইভাবে আর কতবার !"

-170: বুড়ো আর বৃষ্টি

বুড়ো আর বৃষ্টি

চেনা উপত্যকায় নতুন মেঘেরা এল
দূরত্ব আর উচ্চতা আনল সৌন্দর্য বোধ |
মেখচোখে একলা গাছ জানাল জলের চাহিদা,
সংখ্যাগুরু ঘাসেরা অবিশ্যি গা ভিজলেই খুশি |
গাছতলায় এক খোঁড়া বুড়ো ছিল বসে ,
তার বিড়বিড়ানি শোনাল অভিশাপের মত ।

তবুও মেঘ ঘোর করে বৃষ্টি এল
সবুজ হল ঘাস আর চকলা উঠল গাছে,
হি হি করে কাঁপল বুড়ো অনেকক্ষন ,
তারপর উবু হয়ে প্রায় হামাগুড়ি দিয়ে,
নামতে শুরু করল , নীচের সমতলের দিকে
ঢাল বেয়ে জলের স্রোতের সঙ্গে , জলের স্রোতের মত |
বৃষ্টির জল খাল বিল নদী সমুদ্রে যাবে আবার,
আর বুড়ো যাবে হারানো আশ্রয়ের খোঁজে |

-169: প্রভাতী আলোয় ডুবব বলে


যতদিন

যতদিন গানের কথা বলছিলে
তত দিন ছিল বন্যার জল, ঝড়ের আকাশ
আর এলোমেলো চুলে চাঁদ ,
যে শুধু তোমার কথা , ভাঙা ভাঙা সুরে বলত |

আমি চাঁদের কথা ভাবিনি
আমি চওড়া আকাশের নীচে সহস্র খালবিলে
পাঁকে যারা মুখ গুঁজে ছিল তাদের কথা ভাবিনি,
আমি বাঁশির বি ফ্ল্যাট ছেড়ে তখন সদ্য বহুতল ফ্ল্যাটে|

এক দিন দেখলাম দ্রুত কলঙ্ক লাগছে চাঁদে
কালচে হয়ে কাঁদছে চাঁদ, লালচে আকাশের গায়
আমি তখন অন্ধকার একটা সমুদ্রের নীচে,
তোমার হয়ে বন্যা আর ঝড়ের শব্দ কিনছি সস্তায় |


তুমি যেদিন গান থামিয়ে আমার পিঠ চাপড়ে দিলে,
টাকার খসখস ছাপিয়ে শুনলাম, চাঁদ কাঁদছে ,
বর্ষার সেই রাতে, ধরলাম চাঁদের হাত,
নিয়ে চললাম, প্রভাতী আলোয় ডুবব বলে |

-167: যে রাতে

যে রাতে

রাস্তায় দাড়িয়ে দাড়িয়ে , শীতের সন্ধ্যা
কামনায় আর ক্ষুধায় হয়েছে রাত |

গলি গলি সারমেয়-সভ্যতা সইছে যে রাত ,
কবিতার যে রাত নিলাম শুধু ঘুমের বড়ির দরে,
রজনীগন্ধার যে রাত বন্দী শপিংমলের কাঁচে,
অনিদ্রার যে রাত টাকার ক্লোরোফর্মে ঘুমিয়ে কাদা |

চোখ তুলে এ রাত নাকের ডগায় দেশটা মৃত, জানবে না,
উদ্ধত যৌনাঙ্গ নামিয়ে এ রাত, কাল ভোর দেখবে না |

-166

জানালার পাশের সিট দিন ও রাতে ,
আলোকে এদিক ওদিক রাস্তা ছেড়ে দেয়,
গাছেরা চোখের ছায়ায় শিকড় ছড়ায়,
চলমান জানালার কাঁচে, বিগত স্বপ্নের মত |
কাঁচের বাইরে ফেলা আসা অতীত ভবিষ্যৎ,
দমকা হাওয়ায় বর্তমানে মেশে, ভীত শ্বাস ফেলে |


প্রেমিক, আমার জানালায় অপসৃয়মান প্রেম,
দার্শনিক, আমার জানালায় দীর্ঘ দিনের পর বর্ষা,
স্বার্থপর, আমার জানালা জুড়ে মন্দ বাতাস বইছে |
চলমান পৃথিবী বাড়িয়ে নাক নিয়ত প্রশ্ন করে,
জানালার সিটে আমি কেন একা ? কেন কর্মহীন ?
নির্বোধ চাহনি চেয়ে থাকি, বেবাক যথেষ্ট উত্তর |

-165: সীমাবদ্ধ আমার দেত্তয়াল

11.35 AM

জন্মগত , কিছুটা স্বোপার্জিত,
তবু সীমাবদ্ধ আমার দেত্তয়াল,
যেখানে কল্পনার আলপথে ফোটে বুনোফুল,
অাপনি-আবৃত আকন্দের কুঁড়ি |


সন্দেহ-সঙ্কীর্ণ, তবু সজল ভালবাসা,
দুপুর রোদে শানিত ভোজালির মত ,
এই নিয়ে পেরিয়ে যাব লোভের মরিচীকা,
হারিয়ে দেব তন্ত্র মন্ত্রের গোধূলী জগৎ |


কালও কালপেঁচা ডেকে ডেকে
ঘরবারে মরমর আমার উটাচন সংস্কার,
আজ পেঁপে গাছে পিঁপড়েরা উঠছে
শোধ বোধ হয়ে, লালে লাল সুপক্ক সভ্যতার ফল |

তরল ও সুনির্দিষ্ট শয়তানির মুগ্ধতা
অতিক্রম-করি-না-করি দ্বিধাদ্বন্দে,
স্থবির বুদ্ধ রোদে হাঁটছেন ,
নিতান্তই আস্তিক বিচলন |


লোভী হাতে সোপর্দ গলা-দড়ি,
জানালায় জীবন্ত লোভ,
দাঁড়ি গোঁফে সান্ত, কেশেবেশেএকসা
হাতি-মাটি খেলে খেলে ক্লান্ত শহুরে বিক্ষোভ |


কিছু কথা দাঁতে ছিল ,
পানাপুকুরে ডুব জলে নিখোঁজ অনুচিত প্রশ্নের
অবহেলা-উত্তর , সুতরাং হাতে বাটি ,
রাস্তায় নাচিনাচি ধরবই ক্রিকেটের ক্যাচ ।

-164 : আজকাল তোমার স্বপ্ন বুনছি

প্রিয়তমা

যদিও নতুন কিছূ না ,তবু ..
আজকাল তোমার স্বপ্ন বুনছি ,

১.
কাল চাঁদ হয়ত উঠবে না ,
অনেক দিন পর চোখ জ্বলবে না,
আমি কাল আবার রাস্তায় নামব
রাতের রাস্তা জীবিতরা ভয় পাবে,
শাখা প্রশাখা রাস্তায় একটু একটু করে ছড়িয়ে যাব ৷

২.
শব্দ হয়ত হবে না ,
তুমি আমাকে ডাকবে না,
তবু ভালবাসার গন্ধ চিনে নেব,
যে গলিতে তোমার দেহ রাখা আছে,
সেখানে আমি বাস্তবের অন্যায় ব্যূহ ভেদ করে যাব ৷


৩.
হয়ত অন্ধকার রাস্তা খেয়ে নেবে কথা,
অবশিষ্ট ছড়ানো ছেটানো বক্তব্য জোড়া দিতে বসব,
তোমাকে কিছু বলার আগেই ভোর হয়ে যাবে,
তবু গতবারের মত চিৎকার করে কাউকে ডাকব না,
কথা দিচ্ছি, কেঁদে প্রতিবেশীদের সহানুভূতি চাইব না |

-163 : ঘর বলতে আঁরসোলা-অন্ধকার একটা কোন


কিছু কথা ফিরে ফিরে অত্যূক্তির মত উজ্জ্বল
ভুলবার ভোলাবার থেকে আরও ভিন্নতর;
সেইসব কথাদের ঘুরপথে ঘোলাটে দর্শন,
চোখ ছড়ালেই অনুতাপে-অস্থির একটি পোকা,
গায়ে পায়ে সর্ সরে, চুঁইয়ে আসে বিবেকের ঘ্রান |

যেদিন আমি বৃহৎের পায়ে ছলছল চোখ,
সেদিন ঘর বলতে আঁরসোলা-অন্ধকার একটা কোন,
রাস্তা আসলে শবমিছিল, দুটি কবরের মাঝের শূন্যস্থান ,
ঘর আর রাস্তার পার্থক্য দরজায়,
যেখানে দাঁড়িয়ে সূর্যাস্ত, ভোরের প্রতীক্ষায় |

-162: সুমূর্ত কবিতা

সুমূর্ত কবিতা

নগ্ন নারীদেহের স্বপ্ন
ক্লাসিকাল মিউজিকের মশলায় রাধ ,
নিশ্চয়ই কবিতা হবে ৷

বিকৃতি-ধৃত অন্ধ মনটাকে
চর্মচক্ষুর ক্লিন শটে নামাবলী-মোড়া কর
কবিতা-কবিতা হবে |

পাশের গলিতে ধর্ষিত মেয়েটাকে,
আদিবাসী বুনো দেশে ফেলে সভ্যতা মাপ
চোখা কবিতা-মসলা হবে |

সুগভীরে লুকিয়ে মৌলবাদ,
বিষণ্ণ দেশপ্রেমে দার্শনিক রস ঢাল,
কবিতার চিড়ে ভিজবে ৷

প্রিয়াকে আত্মহত্যার খাদে ঠেলে,
একপা দুপা করে মাপ প্রেমের আর মৃত্যুর দূরত্ব ,
মেজারমেন্ট-শিটটা মাইলষ্টোন কবিতা-বিপ্লবে ।

-161: একটা লোভী সময়

একটা লোভী সময় ,
তোমাকে গুছিয়ে রাখতে দিয়েছি,
যেদিন বিষন্নতা মেপে ক্লান্ত হব,
বের করে দিও সময়টাকে ৷

আমার সিঙ্গল রুমে ,
রোদের আলো বিশেষ ধরে রাখা যায় না,
লোভী সময়টাকে ধরতে পারলে, লোভ আর আমি
ভাগ করে নেব, সূর্যোদয়ের অ্যাপার্টমেন্ট |


নর্দমার, ফুটপাতের পোকারা
মনের মধ্যে এখনও ঘুরছে ,
আলোয় তাপে এরা সব মরে যাবে,
সূর্যোদয়ের অ্যাপার্টমেন্টে স্বল্প সূর্যস্নানে |

-160







তুমি নেই বলে যে আকাশে মেঘ করে আসে,
পাতা ঝরে পড়ে স্থলিত নিশ্বাসে,
যে কাদামাখা পথ ছুটছে তোমায় ছুঁতে,
তাকে আজও পাকেপাকে জড়ায়নি লালফিতে ৷


যে বসন্ত তোমার দূঃখে কাঁদছে ,
মনে মনে তোমাকে নিয়ে গল্প ফাঁদছে,
সে জানে না আজও, সাপ্তাহিক রেশনের দাম,
খোঁজ নিয়ে দেখো, তার বাড়িতে দারিদ্র্য বদনাম |



তুমি সেই নির্ঝর যে জেগে ঘুমোচ্ছে,
তোমার উপত্যকায় শ্বাপদসংকুল আমার ইচ্ছে,
তাই অঙ্কুরিত আমি নীরব প্রতীক্ষায় নিয়তকাল,
কবে ঘুম ভাঙবে, সমতলে আসবে জল |




উন্নাসিকে স্বপ্ন মেনে নিলে, বিরতিহীন মসৃন,
শন শন বাতাসে ভেসে যায় সূখী দিন,
মাথা নীচু করলেই, দেখি চাল বাড়ন্ত
তখন মেঘ শানিয়ে, তাড়িয়ে দিই বসন্ত |

-159: মুখর সভ্যতা নিয়ে, যাব বোবা মানুষটার কাছে


মুখর সভ্যতা নিয়ে, যাব বোবা মানুষটার কাছে,
নিজেকে লুকিয়ে রেখে ,ছুড়ে দেব কৌতুহল ,
নিজের নয়, আন্তরিক নয়, বিক্রয়যোগ্য সুবাস্তব কৌতুহল |
মানুষটা জন্মবোবা, গলাধাক্কার বদলে,
তাই আসবে উত্তর, বোবা কিন্ত সন্দেহাতীত ৷
উত্তরের জানা সত্যি গুলো
সূর্যাস্তের শেষ আলোর বিষণ্ন মিথ্যে রঙে,
ও সন্দেহে, জারিয়ে প্রতিবেদন বানাবো |
বোবাকে বিদ্রোহ চায়না ,
বোবাকে কেউ জেলে ভরতে চায় না ,
বোবারা আমার প্রতিবেদনের মতোই নিরাপদ,
তবু বাজিয়ে দেখা আমার সভ্যতার প্রতিনিধিত্ব ৷

-158 : হাত পেতে আছে ভিখিরি আমার মেয়ে

একলা একটা ছায়া , একটেরে রোদে ভিজে ফেরে,
দেওয়াল ঘেসে শুয়ে, ছেলেটার চুলে বিলি কাটে আর কাঁদে,
আমার শহরে, হাত পেতে আছে ভিখিরি আমার মেয়ে ।

-157: শরৎের শেষ মেঘ ভেসে যাবে বঙ্গোপসাগরের দিকে





শরৎের শেষ মেঘ ভেসে যাবে বঙ্গোপসাগরের দিকে ,
যে ক্ষুব্ধপ্রদেশে জন্ম তার, সেখানে অভুক্ত বউ ছেলে;
শহুরের পূজোর ঢাকের বায়না পেরিয়ে কালো মেঘ ফিরবে যেখানে ।

-156: পাথুরে মাটির মত কালো কালো চোখ





পাথুরে মাটির মত কালো কালো চোখ,
আরও বেশী খুলে খুলে দেখি সমুদ্রের বালি,
আহত ও স্বল্প অপমানিত জীবেদের রক্ত-চেতনা ৷


-155: অন্ধ মেয়ের একতারা আর বাইরে সমুদ্দুর



অন্ধ মেয়ের একতারা আর বাইরে সমুদ্দুর
ঘরে বন্ধ বধির দেহ স্পর্শে তন্দ্রা চেনে ;
দারিদ্র্যে হিমায়িত দর্শন ও সুন্দর-চেতনা |

-154 :সময় নিখোঁজ হলে, বলি ঘুম


সময় বিপথে গেলে ভীতু পায়ে পিছু নিই,
পাল্লা দিয়ে ছুটি, হাতপা নেড়ে দেখাই হাইওয়ে,
তারপর ক্লান্তি এলে, সময় নিখোঁজ হলে, বলি ঘুম |

-153: গরীবের খিদে পায় কেন?

গরীবের খিদে পায় কেন?
ভেবে দেখলে এটা এক ধরনের দেশদ্রোহ ৷
কিংবা অনেকে নিরাপত্তা চায়, নিখরচায়,
আমার আপনার শান্তির পরিপন্থী এটা |


যত সভ্য হচ্ছি, সভ্যতা নিয়ে
শ্রদ্ধা বাড়ছে তত |

-152: আপনারা উনুন জেwলে বসুন


আপনারা উনুন জেwলে বসুন,
রাঁধবেন বা হাতও শেঁকতে পারেন ।


আপনারা কলম নিয়ে বসে লিমেরিক লিখুন
নিজে বুঝলে মুস্কিল, বাকীরা বুঝবে ৷


আপনারা দেশকে নিয়ে প্রেম করুন,
ভেবে প্রেম করতে পারেন , ভালো হয় না ভাবলে |


আপনারা আমার লেখা পড়তে পারেন
ভালো খারাপ লাগা ব্যাক্তিগত ব্যাপার ৷

-151 :ভোর


ভোর


১
আজ ভোরে প্রাত্যহিক জীবন নিতান্ত অলীক ,
আমার অহং-সাম্রাজ্যে সময়ের নাকখতে আঁকা,
ভোর পেরিয়ে, দগ্ধ দিন পরাবাস্তব দিনান্তের খোঁজে ৷

(
Today in the dawn, life felt like an imagination/
that time draws on my pride-empire, in vain ;/
after the dawn day's fire seeks a surrealistic end./
)



২
অ্যান্ড্রয়েড নিভলে বন্ধ জানালায় চিলতে ভোর,
অভিমানী বোবা ভোর কিছুক্ষন দাঁড়িয়ে চলে যাবে,
জ্বলজ্বলে জল-চোখ, হয়ত ভোর কিছু বলতে চায় ৷

(after Android-screen turns off, dawn peeps through closed windows/
Dumb tender dawn will wait little before leaving/
With teary-bright eyes , dawn may have things to say ./.)



৩
ভোরে অস্পষ্ট ছায়া নিয়ে যারা এল,
এক চোখ জ্বেলে ও নিভিয়ে তাদের পথ দেখালাম,
আমি একান্তে বিশ্বাসী , এরা ভোর দেখেনি ৷


(Who came casting dim shadows on the dawn/
, lighting on and off my single eye, I showed them path/
I believe myself, they have not eyed dawn./)