Monday, November 25, 2019

-110



আমার প্রিয়ার মুখ অচেতনে আছে,
বাদল নিশীথে ধুয়ে স্বপ্ন যেভাবে থাকে ৷
তার মত মুখ যত, নীরবে ও অাঁধারে ,
বয়ে  গেছে সন্ধ্যার সন্ধানে, সূর্যশেষ প্রহরে ৷
তারাখসা-কামগন্ধ নিয়ে, আবার ঘনিয়ে এসেছে,
 রাতে, সিক্ত দেহের বাসে, মূর্খ লজ্জায় |
নাগরিক চাতুর্য্য যে লজ্জা হয়ে জেগে থাকে,
ডুবন্ত দ্বীপে, নেভা ল্যাম্পপোষ্টের নীচে ,
ঘনবদ্ধ শরীরে শরীরে, আলেয়ার মিথ্যা আলোয় ৷


আমার প্রিয়ার মুখ সচেতনে অস্তিত্বহীন,
 বর্ষন শেষে মেঘ যেভাবে হারায় ,
প্রভাত পক্ষীহীন হোক, দিনমনি উজ্জ্বল ৷
আকণ্ঠ ডুবতে চেয়ে না নেভা আলোয়,
লবনাক্ত সমুদ্রতটে, যাযাবর পাখীদের জটে
প্রভাসখন্ড শেষে তীর্থাঙ্কুর সংগ্রহ করে রাখি |
দেহের আনাচ কানাচে, যেটুকু পড়ে অনাবাদী ,
নিশীথে নিঃশেষ হয়েছে সঞ্চিত তীর্থরেণু যেখানে,
সেখানে ক্ষুদ্র অঙ্কুর, রেখে যাই বৃহৎ আশায়, 
বাকীদায় চিরদিন অনসূয়া প্রকৃতির ,বাকীদায় মাতার ৷

No comments:

Post a Comment